1. bappy.ador@yahoo.com : Admin : Admin admin
  2. hostctg@gmail.com : desk report :
  3. sohagkhan8933@gmail.com : editor editor : editor editor
  4. spapon116@gmail.com : jamunar-barta :
  5. mamunshekh432@gmail.com : reporter :
  6. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
ঘরে যদি শুধু স্বা*মী স্ত্রী’ থাকে, কোনো কা*প*ড় না প*ড়ে কি ঘু*মা*নো যায়? জেনে নিন ইস’লাম কি বলে
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন

ঘরে যদি শুধু স্বা*মী স্ত্রী’ থাকে, কোনো কা*প*ড় না প*ড়ে কি ঘু*মা*নো যায়? জেনে নিন ইস’লাম কি বলে

Jamuna Desk Reporter
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১
  • ১১৮ Time View

ল'জ্জাস্থান অ’প্রয়োজনে খুলে রাখা বৈধ নয়। পর্দার ভেতরে প্রয়োজনে তা খুলে রাখায় দোষ নেই। যেমন মিলনের সময়, গোসলের সময় বা প্রস্রাব পায়খানার করার সময়।

অ’প্রয়োজনের সময় ল'জ্জাস্থান আবৃত রাখা ওয়াজেব। নবি (সঃ) বলেছেন, “তুমি তোমা’র স্ত্রী’ ও ক্রীতদাসী ছাড়া অন্যের নিকট ল'জ্জাস্থানের হেফাজত কর।” সাহাবী বললেন, ‘হে আল্লাহ্‌র রাসুল! লোকেরা আপসে এক জায়গায় থাকলে?’ তিনি বললেন, “যথাসাধ্য চেষ্টা করবে, কেউ যেন তা মোটেই দেখতে না পায়।” সাহাবী বললেন, ‘ হে আল্লহর রাসুল!

কেউ যদি নির্জনে থাকে?’ তিনি বললেন, “মানুষ অ’পেক্ষা আল্লাহ এর বেশী হকদার যে, তাকে ল'জ্জা করা হবে।” ৬১৪ (আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, মিশকাত ৩১১৭ নং) তাছাড়া উল’'ঙ্গ অবস্থায় ঘু'মালে আকস্মিক বিপদের সময় বড় সমস্যায় পড়তে হবে। সুতরাং সতর্কতাই বাঞ্ছনীয়। এখানে “তুমি তোমা’র স্ত্রী’ ও ক্রীতদাসী ছাড়া অন্যের নিকট ল'জ্জাস্থানের হেফাজত কর”এর মানে এই নয় যে, স্ত্রী’ ও ক্রীতদাসীর কাছে সর্বদা ন’'গ্ন থাকা যাব'ে। উদ্দেশ্য হল, তাদের মিলনের সময় অথবা অন্য প্রয়োজনে ল'জ্জাস্থান খোলা যাব'ে, অ’প্রয়োজনে নয়।

কখন পড়তে হয় তাহাজ্জুদ নামাজ আ'দায়ের সঠিক নিয়ম কি? জেনে রাখু’ন… শরিয়তের পরিভাষায় রাত দ্বিপ্রহরের পর ঘু'ম থেকে জেগে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যে নামাজ আ'দায় করা হয় তা-ই ‘সালাতুত তাহাজ্জুদ’বা তাহাজ্জুদ নামাজ। আর এই নফল নামাজকে মহানবী (সা.) শ্রেষ্ঠ নফল ইবাদত হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার আগে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর তাহাজ্জুদ নামাজ বাধ্যতামূলক ছিল। তাই তিনি জীবনে কখনো তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া থেকে বিরত হননি।

তবে উম্মতে মুহা'ম্ম’দির জন্য এটা সুন্নাতে গায়রে মুয়াক্কাদা অর্থাৎ এ নামাজ আ'দায় করলে অশেষ পুণ্য লাভ করা যায়, কিন্তু আ'দায় করতে না পারলে কোনো গু'নাহ হবে না। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিয়তের স'ঙ্গে সওয়াবের আশায় মাহে রমজানের রোজা পালন করে, তার বিগত জীবনের গু'নাহ মাফ করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি ই’মান ও সওয়াবের আশায় মাহে রমজানের রাতে কিয়াম করে, তার বিগত দিনের গু'নাহ মাফ করে দেওয়া হয়।

যে ব্যক্তি ই’মান ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে কিয়াম বা রাত জেগে ইবাদত করে, তার বিগত জীবনের গু'নাহ মাফ করে দেওয়া হয়।’(বুখারি ও মু’সলিম)রমজান মাস ও অন্যান্য সময় তাহাজ্জুদ নামাজ রাত দ্বিপ্রহরের পরে পড়তে হয়। মধ্যরাতে যখন লোকেরা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন, তখন রোজাদার মুমিন বান্দা ঘু'ম থেকে জেগে ইবাদত-বন্দেগি করেন এবং সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত তাহাজ্জুদ নামাজ আ'দায় করেন।

সুবহে সাদিক হয়ে গেলে এ নামাজ আর পড়া যায় না। যদি রাত দ্বিপ্রহরের পর নিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে এশার নামাজের পর এবং বিতরের আগে তাহাজ্জুদ নামাজ আ'দায় করতে হয়। অবশ্য তাহাজ্জুদ নামাজ রাত দ্বিপ্রহরের আগে পড়লে সওয়াব কম পাওয়া যায়। রাতের শেষাংশে পড়লে সওয়াব বেশি পাওয়া যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাহাজ্জুদ নামাজ কখনো ৪ রাকাত, কখনো ৮ রাকাত এবং কখনো ১২ রাকাত পড়েছিলেন। তাই রোজাদার ব্যক্তির তাহাজ্জুদ নামাজ কমপক্ষে ৪ রাকাত আ'দায় করা উচিত।

কিন্তু যদি কেউ এ নামাজ ২ রাকাত আ'দায় করেন, তাহলেও তাঁর তাহাজ্জুদ আ'দায় হবে। হ’জরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি এশার পর দুই বা ততোধিক রাকাত নামাজ পড়ে নেয়, সে হবে তাহাজ্জুদের ফজিলতের অধিকারী।’ রমজান মাসে তাহাজ্জুদ নামাজ আ'দায়কালে পবিত্র কোরআনের আয়াত খুব বেশি তিলাওয়াত করা উত্তম। যদি দীর্ঘ সূরা মুখস্থ থাকে, তাহলে তাহাজ্জুদ নামাজে দীর্ঘ সূরা তিলাওয়াত করা উত্তম। ১২ রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজের প্রথম রাকাতে সূরা আল-ইখলাস ১২ বার, দ্বিতীয় রাকাতে ১১ বার, তৃতীয় রাকাতে ১০ বার, চতুর্থ রাকাতে ৯ বার অনুসারে দ্বাদশ রাকাতে একবার পড়তে হয়।

আবার প্রত্যেক রাকাতে সূরা আল-ইখলাস ৩ বার অথবা ১ বার হিসেবেও পড়া যায়। আবার সূরা আল-মুয্যাম্মিল, আয়াতুল কুরসি এবং সূরা আল-ইনশিরাহও পড়া যায়। মাহে রমজানে দিবাভাগে পানাহার বর্জন করে রোজা পালনের পর গভীর রাতে নিদ্রাসুখ ত্যাগ করে তাহাজ্জুদ নামাজ আ'দায়ের গু'রুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত সব নফল ইবাদত অ’পেক্ষা অধিক এবং এটি আল্লাহর কাছে অ’তি প্রিয়।

এ জন্য আল্লাহ তাআলা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর এ নামাজ ফরজ করে দিয়েছিলেন। রোজাদার ব্যক্তি যদি তাহাজ্জুদ নামাজ আ'দায় করে আল্লাহর কাছে ক্ষ'মা প্রার্থনা করেন, আল্লাহ তার পাপরাশি মা’র্জনা করে দেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমা’র প্রভু প্রত্যেক রাতের শেষাংশে নিকটতম আসমানে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন, যে কেউ আমা’র কাছে প্রার্থনা করবে, আমি তা কবুল করব, যে কেউ কিছু প্রার্থনা করবে, আমি তা প্রদান করব, যে কেউ আমা’র কাছে ক্ষ'মা প্রার্থনা করবে, আমি তাকে ক্ষ'মা করব।’(বুখারি ও মু’সলিম)

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
Jamunabarta24 © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz