1. tipsmaster247@gmail.com : aman :
  2. spapon116@gmail.com : jamunar-barta :
  3. gm.amanullah2021@gmail.com : Md Murad : Md Murad
  4. mamunshekh432@gmail.com : reporter :
  5. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
১০ বার বিচারের পরও চাচিকে নিয়ে পালালো ভাতিজা, অতঃপর…
বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৮:২৯ অপরাহ্ন

১০ বার বিচারের পরও চাচিকে নিয়ে পালালো ভাতিজা, অতঃপর…

Jamuna Desk Reporter
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১
  • ২১৩ Time View

ঢাকার ধামর'’াইয়ে প্রেমের টানে চাচিকে নিয়ে ভাতিজা পলায়নের ৫ দিন পর প্রকাশ্যে এলেন। এ নিয়ে এলাকায় চলছে বেশ জল্পনা-কল্পনা ও সমালোচনার ঝড়। ঘটনাটি ঘটেছে উপজে’লার সোমভাগ ইউনিয়নের ডাউটিয়া গ্রামে।

উপজে’লার ডাউটিয়া গ্রামের আব্দুল আলীমের স্ত্রী রুপালিকে নিয়ে পালিয়ে যায় একই এলাকার কাবিল উদ্দিন এর ছেলে মো. জুয়েল। জুয়েল এবং আব্দুল আলীম সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।

স্থানীয়রা জানান, বিয়ের আগে থেকেই আলীমের স্ত্রীর সাথে জুয়েলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। জুয়েলের পরিবার থেকে মেনে না নিয়ে জুয়েলের মা কৌশলে রুপালিকে তার দেবর আব্দুল আলীমের সাথে বিয়ে দেন।

কিন্তু বিয়ের মধ্যেই সীমাব’'দ্ধ ছিল না জুয়েল ও রুপালির প্রেমের সম্পর্ক। গো’পনে চলতে থাকে তাদের মন দেয়া-নেয়া। এ নিয়ে এলাকায় একাধিকবার বিচার-শালিস হয়েছে। কিন্তু খান্ত হয়নি জুয়েল।

২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রুপালিকে আর স্বামীর বাড়িতে না পাওয়ায় স্বামী আব্দুল আলীম স্থানীয়দের নিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করে এবং জুয়েলের বাড়িতেও যায়। কিন্তু তাকে বাড়িতে না পেয়ে সন্দে’হ আরও বেড়ে যায় স্বামী আলীমের। পরের দিনও স্ত্রী রুপালি বাড়িতে না আসায় তিনি ধামর'’াই থানায় একটি জিডি দায়ের করেন। এভাবে চলতে থাকে আরও দু’দিন।

কিন্তু গতকাল শনিবার এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানতে পারেন রুপালিকে জুয়েল বিমানে করে কক্সবাজার নিয়ে গেছেন। পরে রুপালির স্বামী আব্দুল আলীম স্থানীয় লোকজন ও জুয়েলের পরিবারের লোকজনকে সাথে নিয়ে তাদেরকে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে নিয়ে আসে।

প্রথমে রুপালির স্বামী আলীম স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে উঠতে না দেয়ায় রুপালি এখন বাবার বাড়িতেই অবস্থান করছে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যকর অবস্থা বিরাজ করছে। জানা যায়, রুপালি দুই সন্তানের জননী এবং জুয়েলও দুই সন্তানের জনক। কিন্তু ভালোবাসার সম্পর্ক তাদের থামিয়ে রাখতে পারেনি।

এ বি’ষয়ে রুপালির স্বামী আব্দুল আলীম বলেন, আমা’র স্ত্রীকে বাড়িতে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করি। জুয়েলের বাড়িতেও খোঁজ নেই। না পেয়ে পরে থানায় গিয়ে একটি জিডি করি। কিন্তু গতকাল শনিবার জুয়েল ও রুপালিকে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় নিয়ে আসি। রুপালি তার বাবার বাড়িতে রয়েছে। এর একটি সঠিক মীমাংসা হওয়া দরকার, কারণ আগেও তাদের নিয়ে অনেক ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে আমা’দের বিয়ে হয়। ঘরে দুটি সন্তানও রয়েছে।

কিন্তু জুয়েলের প্ররোচনায় বারবার ঝামেলায় পড়তে হয়েছে।জুয়েলের উৎপাতে আমি পাশের এলাকা কালামপুর গিয়ে বাসা নেই। সেখানেও জুয়েল ঝামেলা করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।এ ব্যাপারে রুপালি বলেন, আমা’র দুই সন্তান রয়েছে। আমি স্বামীর বাড়ি যেতে চাই। কিন্তু জুয়েল আমাকে অনেক ভয়ভীতি দেখাতো। তার কথায় রাজি না হলে অনেক ক্ষ’তি করবে। সে মাঝে মধ্যেই আমাকে ভয়ভীতি দেখাতো। আমি জুয়েলের কাছ থেকে নিরাপদে থাকতে চাই।

স্থানীয়দের সহায়তায় রুপালিকে ফিরিয়ে এনে স্বামী আব্দুল আলীম ও স্থানীয়রা সাদা কাগজে স্বাক্ষর রেখে রুপালিকে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দেন।তবে স্থানীয় বাসিন্দা খোকন, মোবারকসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, জুয়েল খুব খারাপ ছেলে। সে বারবার রুপালির সাথে অনৈ’তিক সম্পর্কে জড়িত হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় ১০টির মতো বিচার হয়েছে। কিন্তু তারা এ বি’ষয়ে কোনোরকম সুধ’রায়নি।জুয়েলের বাবা কাবিল উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি খুবই ল’জ্জাজনক।

বারবার সাবধান করার পরও তারা এমন কাজ করেছে। এখন আমর'’া এলাকায় ল’জ্জায় মুখ দেখাতে পারি না। চাচিকে নিয়ে এমন ঘটনা ঘটাবে তা ভাবতেও পারি না। এখন এলাকার মানুষ যা ভালো মনে করে তাই করবে।জুয়েলকে তার বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তবে জুয়েল এর মা নিজের ছেলের দোষ স্বীকার না করে মেয়েকেই এর জন্য দায়ী করেন। তিনি বলেন, চাচি-ভাতিজার মধ্যে এমন সম্পর্ক বলাও ল’জ্জার। আমা’র দেবর আব্দুল আলীম আমা’দের খুব সম্মান করে।

জুয়েল এর স্ত্রী বলেন, ঘটনা যা ঘটেছে তা সবাই জানে। এর বেশি সে জানে না। জুয়েলের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।স্থানীয় বাসিন্দা খোকন বলেন, জুয়েল ও রুপালিকে নিয়ে অনেক বিচার শালিস হয়েছে। জুয়েল খারাপ ছেলে। সবসময় লোকজনের স’'ঙ্গে ঝগড়া বিবাদ নিয়ে থাকে। আমর'’া এলাকায় থাকি। এর একটা সঠিক বিচার হওয়া উচিৎ। তবে কিছু মাতব্বররা বি’ষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে।

রুপালির বাবা মাবুল বলেন, আমর'’া কিছুই বলবো না। আমা’দের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজাহার আলী যা করেন। আমর'’া তার কাছে গিয়েছিলাম। এ বি’ষয়ে সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজাহার আলী বলেন, আমা’র কাছে মেয়েপক্ষ এসেছিল। তারপর আর এ নিয়ে কোনো কথা হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
Jamunabarta24 © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz