1. tipsmaster247@gmail.com : aman :
  2. spapon116@gmail.com : jamunar-barta :
  3. gm.amanullah2021@gmail.com : Md Murad : Md Murad
  4. mamunshekh432@gmail.com : reporter :
  5. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
দুলাভাইয়ের কা,রসাজিতে যু,বতী শ্যালিকা কিভাবে ৫০০ কোটি টাকার মালিক হলেন দেখুন
রবিবার, ০৭ অগাস্ট ২০২২, ১২:১২ অপরাহ্ন

দুলাভাইয়ের কা,রসাজিতে যু,বতী শ্যালিকা কিভাবে ৫০০ কোটি টাকার মালিক হলেন দেখুন

Jamuna Desk Reporter
  • Update Time : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১
  • ১৮৩ Time View

দিনমজুর বাবার সংসারে তিন বেলা ঠিকমতো খাবার জুটত না। অর্থের অভাবে লেখাপড়াও হয়নি। সেই ‘’'হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান জেসমিন প্রধান এখন বিত্তশালী।

বাড়ি, গাড়ি, আলিশান ফ্ল্যাট—কী’ নেই তাঁর। সাত বছরের ব্যবধানে তিনি ৫০০ কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। শুধু তাঁর পাঁচটি ব্যাংক হিসাবেই ১৪৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার তথ্য পেয়েছে দু’র্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অথচ ২৩ বছর বয়সী জেসমিনের নিজস্ব কোনো আয়ের উৎস নেই। দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইস’লাম পাপুলের মানবপাচারের টাকায় শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এখন সম্পদশালী।

কুয়েতে মানবপাচারের হোতা পাপুল অর্থ ও মানবপাচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ আড়াল করতে শ্যালিকার অ্যাকাউন্টে রাখেন। শুধু তা-ই নয়, অ’বৈধ পথে অর্জিত বিপুল অর্থ বৈধ হিসাবে দেখাতে শ্যালিকা জেসমিনের মালিকানায় ‘লিলাবালি’ নামের একটি কাগু'’’জে প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলেন এমপি পাপুল।ওই প্রতিষ্ঠানের আড়ালে জেসমিন প্রধানের পাঁচটি ব্যাংক হিসেবের মাধ্যমে ২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পাচার করা হয় ১৪৮ কোটি টাকা।

এই পরিমাণ টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থা’নান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অ’প’রাধে এমপি পাপুল, তাঁর স্ত্রী’ ও সন্তান এবং শ্যালিকার বি’রু’’'দ্ধে মা’ম’লার অনুমোদন দিয়েছে দুদক। টাকা দুদকের ত’দন্তসংশ্লি’ষ্ট এক কর্মক’র্তা বলেন, খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান জেসমিন প্রধান। বড় বোন সেলিনা ইস’লামের বিয়ে হয় কুয়েতপ্রবাসী কাজী শহিদ ইস’লাম পাপুলের স’'ঙ্গে। পাপুল মানবপাচারের মাধ্যমে অর্জিত টাকা শ্যালিকা জেসমিন প্রধানের অ্যাকাউন্টে এ

বং নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলেন। পাঁচটি অ্যাকাউন্টে ১৪৮ কোটি টাকার এফডিআরসহ জেসমিন এখন প্রায় ৫০০ কোটি টাকার মালিক।অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন ব্যাংকে জেসমিনের প্রায় ৪৪টি হিসাব পাওয়া গেছে। একটি ব্যাংকেই তাঁর ৩৪টি এফডিআর হিসাব রয়েছে। এফডিআর হিসাবের দুই কোটি ৩১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৭.৫৩ টাকার কোনো উৎস জেসমিন দেখাতে পারেননি। সে কারণে অ’বৈধ সম্পদের অ’ভিযোগে তাঁকে আরো মা’ম’লার মুখোমুখি ‘’'হতে হচ্ছে।

সূত্র জানায়, অ’বৈধ উপায়ে অর্জিত জেসমিন প্রধানের নিজ নামে ২০টি এফডিআরে এক কোটি টাকা, বোন সেলিনা ইস’লামের নামে ২৯৫টি এফডিআরে ২০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, বোনজামাই শহিদ ইস’লাম পাপুলের নামে ২৩টি এফডিআরে দুই কোটি ১৮ লাখ টাকা পায় দুদক।এ ছাড়া পাপুলের মে’য়ে ওয়াফা ইস’লামের নামে ৪১টি এফডিআরে দুই কোটি ২৯ লাখ টাকাসহ মোট ২৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা জেসমিন প্রধানের একটি ব্যাংকের হিসাবে ল’’'গ্নি করে ২৫ কোটি ২৩ লাখ টাকার ওভা’র

ড্রাফট সুবিধা গ্রহণের প্রমাণ মেলে। সব মিলে বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে পাচার হয়েছে ১৪৮ কোটি টাকা।এদিকে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইস’লাম পাপুল, তাঁর স্ত্রী’ এমপি সেলিনা ইস’লাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান ও মে’য়ে ওয়াফা ইস’লামের বি’রু’’'দ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মা’ম’লার অনুমোদন দিয়েছে দুদক। গতকাল ম’'ঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। শিগগিরই সংস্থাটির অনুসন্ধান কর্মক’র্তা

উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মা’ম’লা’টি করবেন। দিনমজুর বাবার সংসারে তিন বেলা ঠিকমতো খাবার জুটত না। অর্থের অভাবে লেখাপড়াও হয়নি। সেই ‘’'হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান জেসমিন প্রধান এখন বিত্তশালী। বাড়ি, গাড়ি, আলিশান ফ্ল্যাট—কী’ নেই তাঁর। সাত বছরের ব্যবধানে তিনি ৫০০ কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। শুধু তাঁর পাঁচটি ব্যাংক হিসাবেই ১৪৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার তথ্য পেয়েছে দু’র্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অথচ ২৩ বছর বয়সী জেসমিনের নিজস্ব কোনো আয়ের উৎস নেই।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইস’লাম পাপুলের মানবপাচারের টাকায় শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এখন সম্পদশালী। কুয়েতে মানবপাচারের হোতা পাপুল অর্থ ও মানবপাচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ আড়াল করতে শ্যালিকার অ্যাকাউন্টে রাখেন। শুধু তা-ই নয়, অ’বৈধ পথে অর্জিত বিপুল অর্থ বৈধ হিসাবে দেখাতে শ্যালিকা জেসমিনের মালিকানায় ‘লিলাবালি’ নামের একটি কাগু'’’জে প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলেন এমপি পাপুল।

ওই প্রতিষ্ঠানের আড়ালে জেসমিন প্রধানের পাঁচটি ব্যাংক হিসেবের মাধ্যমে ২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পাচার করা হয় ১৪৮ কোটি টাকা। এই পরিমাণ টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থা’নান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অ’প’রাধে এমপি পাপুল, তাঁর স্ত্রী’ ও সন্তান এবং শ্যালিকার বি’রু’’'দ্ধে মা’ম’লার অনুমোদন দিয়েছে দুদক। টাকা দুদকের ত’দন্তসংশ্লি’ষ্ট এক কর্মক’র্তা বলেন, খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান জেসমিন প্রধান। বড় বোন সেলিনা ইস’লামের বিয়ে হয় কুয়েতপ্রবাসী কাজী শহিদ ইস’লাম পাপুলের স’'ঙ্গে।

পাপুল মানবপাচারের মাধ্যমে অর্জিত টাকা শ্যালিকা জেসমিন প্রধানের অ্যাকাউন্টে এবং নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলেন। পাঁচটি অ্যাকাউন্টে ১৪৮ কোটি টাকার এফডিআরসহ জেসমিন এখন প্রায় ৫০০ কোটি টাকার মালিক। অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন ব্যাংকে জেসমিনের প্রায় ৪৪টি হিসাব পাওয়া গেছে। একটি ব্যাংকেই তাঁর ৩৪টি এফডিআর হিসাব রয়েছে। এফডিআর হিসাবের দুই কোটি ৩১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৭.৫৩ টাকার কোনো

উৎস জেসমিন দেখাতে পারেননি। সে কারণে অ’বৈধ সম্পদের অ’ভিযোগে তাঁকে আরো মা’ম’লার মুখোমুখি ‘’'হতে হচ্ছে। সূত্র জানায়, অ’বৈধ উপায়ে অর্জিত জেসমিন প্রধানের নিজ নামে ২০টি এফডিআরে এক কোটি টাকা, বোন সেলিনা ইস’লামের নামে ২৯৫টি এফডিআরে ২০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, বোনজামাই শহিদ ইস’লাম পাপুলের নামে ২৩টি এফডিআরে দুই কোটি ১৮ লাখ টাকা পায় দুদক। এ ছাড়া পাপুলের মে’য়ে ওয়াফা ইস’লামের নামে

৪১টি এফডিআরে দুই কোটি ২৯ লাখ টাকাসহ মোট ২৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা জেসমিন প্রধানের একটি ব্যাংকের হিসাবে ল’’'গ্নি করে ২৫ কোটি ২৩ লাখ টাকার ওভা’র ড্রাফট সুবিধা গ্রহণের প্রমাণ মেলে। সব মিলে বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে পাচার হয়েছে ১৪৮ কোটি টাকা। এদিকে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইস’লাম পাপুল, তাঁর স্ত্রী’ এমপি সেলিনা ইস’লাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান ও মে’য়ে ওয়াফা ইস’লামের বি’রু’’'দ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মা’ম’লার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

গতকাল ম’'ঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। শিগগিরই সংস্থাটির অনুসন্ধান কর্মক’র্তা উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মা’ম’লা’টি করবেন।দিনমজুর বাবার সংসারে তিন বেলা ঠিকমতো খাবার জুটত না। অর্থের অভাবে লেখাপড়াও হয়নি। সেই ‘’'হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান জেসমিন প্রধান এখন বিত্তশালী। বাড়ি, গাড়ি, আলিশান ফ্ল্যাট—কী’ নেই তাঁর। সাত বছরের ব্যবধানে তিনি ৫০০ কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।

শুধু তাঁর পাঁচটি ব্যাংক হিসাবেই ১৪৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার তথ্য পেয়েছে দু’র্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অথচ ২৩ বছর বয়সী জেসমিনের নিজস্ব কোনো আয়ের উৎস নেই।দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইস’লাম পাপুলের মানবপাচারের টাকায় শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এখন সম্পদশালী। কুয়েতে মানবপাচারের হোতা পাপুল অর্থ ও মানবপাচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ আড়াল করতে শ্যালিকার অ্যাকাউন্টে রাখেন।

শুধু তা-ই নয়, অ’বৈধ পথে অর্জিত বিপুল অর্থ বৈধ হিসাবে দেখাতে শ্যালিকা জেসমিনের মালিকানায় ‘লিলাবালি’ নামের একটি কাগু'’’জে প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলেন এমপি পাপুল। ওই প্রতিষ্ঠানের আড়ালে জেসমিন প্রধানের পাঁচটি ব্যাংক হিসেবের মাধ্যমে ২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পাচার করা হয় ১৪৮ কোটি টাকা। এই পরিমাণ টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থা’নান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অ’প’রাধে এমপি পাপুল, তাঁর স্ত্রী’ ও সন্তান এবং শ্যালিকার বি’রু’’'দ্ধে মা’ম’লার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

টাকা দুদকের ত’দন্তসংশ্লি’ষ্ট এক কর্মক’র্তা বলেন, খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান জেসমিন প্রধান। বড় বোন সেলিনা ইস’লামের বিয়ে হয় কুয়েতপ্রবাসী কাজী শহিদ ইস’লাম পাপুলের স’'ঙ্গে। পাপুল মানবপাচারের মাধ্যমে অর্জিত টাকা শ্যালিকা জেসমিন প্রধানের অ্যাকাউন্টে এবং নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলেন। পাঁচটি অ্যাকাউন্টে ১৪৮ কোটি টাকার এফডিআরসহ জেসমিন এখন প্রায় ৫০০ কোটি টাকার মালিক।

অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন ব্যাংকে জেসমিনের প্রায় ৪৪টি হিসাব পাওয়া গেছে। একটি ব্যাংকেই তাঁর ৩৪টি এফডিআর হিসাব রয়েছে। এফডিআর হিসাবের দুই কোটি ৩১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৭.৫৩ টাকার কোনো উৎস জেসমিন দেখাতে পারেননি। সে কারণে অ’বৈধ সম্পদের অ’ভিযোগে তাঁকে আরো মা’ম’লার মুখোমুখি ‘’'হতে হচ্ছে। সূত্র জানায়, অ’বৈধ উপায়ে অর্জিত জেসমিন প্রধানের নিজ নামে ২০টি এফডিআরে এক কোটি টাকা,

বোন সেলিনা ইস’লামের নামে ২৯৫টি এফডিআরে ২০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, বোনজামাই শহিদ ইস’লাম পাপুলের নামে ২৩টি এফডিআরে দুই কোটি ১৮ লাখ টাকা পায় দুদক।এ ছাড়া পাপুলের মে’য়ে ওয়াফা ইস’লামের নামে ৪১টি এফডিআরে দুই কোটি ২৯ লাখ টাকাসহ মোট ২৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা জেসমিন প্রধানের একটি ব্যাংকের হিসাবে ল’’'গ্নি করে ২৫ কোটি ২৩ লাখ টাকার ওভা’র ড্রাফট সুবিধা গ্রহণের প্রমাণ মেলে। সব মিলে বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে পাচার হয়েছে ১৪৮ কোটি টাকা।

এদিকে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইস’লাম পাপুল, তাঁর স্ত্রী’ এমপি সেলিনা ইস’লাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান ও মে’য়ে ওয়াফা ইস’লামের বি’রু’’'দ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মা’ম’লার অনুমোদন দিয়েছে দুদক। গতকাল ম’'ঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। শিগগিরই সংস্থাটির অনুসন্ধান কর্মক’র্তা উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মা’ম’লা’টি করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
Jamunabarta24 © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz