1. bappy.ador@yahoo.com : Admin : Admin admin
  2. hostctg@gmail.com : desk report :
  3. sohagkhan8933@gmail.com : editor editor : editor editor
  4. spapon116@gmail.com : jamunar-barta :
  5. mamunshekh432@gmail.com : reporter :
  6. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
ঘু'মে'র ম'ধ্যে বো'বা'য় ধ'রে কে'ন এবং কা'কে ধ'রে, প্র’তিকা'র
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন

ঘু’মে’র ম’ধ্যে বো’বা’য় ধ’রে কে’ন এবং কা’কে ধ’রে, প্র’তিকা’র

Jamuna Desk Reporter
  • Update Time : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১
  • ২৬৫ Time View

ঘু'মের মধ্যে হঠাত শরীর অবশ হয়ে যাওয়া। এরপর কোন নড়াচড়া করা যায় না, এক পর্যায়ে মনে হয় কে যেন শরীরে ভর করেছে। চিকিৎসাশাস্ত্রের ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় স্লিপ প্যারালাইসিস,

বা ঘু'মের মধ্যে পক্ষাঘা'ত। সম্মিলিত সামর'িক হাসপাতালের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সামান্থা আফরিনের মতেবোবায় ধ’রা বা স্লিপ প্যারালাইসিস হল গভীর ঘু'ম ও জাগরণের মাঝামাঝি একটি স্নায়ুজনিত সমস্যা।ঘু'মের ওই পর্যায়টিকে বলা হয় র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট-রেম। রেম হল ঘু'মের এমন একটি পর্যায় যখন মস্তিষ্ক খুব সক্রিয় থাকে এবং এই পর্যায়ে মানুষ স্বপ্ন দেখে থাকে। কিন্তু সে সময় শরীরের আর কোন পেশী কোন কাজ করেনা।

এ কারণে এসময় মস্তিষ্ক সচল থাকলেও শরীরকে অসাড় মনে হয়।বোবায় ধ’রা কাদের হয়, কেন হয়? স্লিপ প্যারালাইসিস হওয়ার নির্দিষ্ট কোন বয়স নেই। এই পরিস্থিতি যে কারও স'ঙ্গে যেকোনো বয়সে 'হতে পারে। তবে ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা বা এনএইএস-এর তথ্য মতে তরুণ-তরুণী এবং কিশোর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি আ'ক্রা'ন্ত হয়ে থাকেন। স্লিপ প্যারালাইসিস হওয়ার পেছনে কিছু কারণকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১. পর্যা'প্ত ঘু'মের

অভাব বা ছেড়ে ছেড়ে ঘু'ম হওয়া। অসময়ে ঘু'মানো। অনেক সময় কাজের সময় নির্দিষ্ট না হলে, অথবা দূরে কোথাও ভ্রমণে গেলে এমন ঘু'মের সমস্যা 'হতে পারে। ২. মা'দকাসক্ত হলে অথবা নিয়মিত ধূমপান ও ম'দপান করলে। ৩. পরিবারে কারও স্লিপ প্যারালাইসিস হয়ে থাকলে। ৪. সোশ্যাল অ্যাঙ্কজাইটি বা প্যানিক ডিসঅর্ডার বা বাইপোলার ডিজঅর্ডারের মতো মানসিক সমস্যা থাকলে। বোবায় ধ’রার লক্ষণ: ডা. সামান্থা আফরিনের মতে

এবং ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবার ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী স্লিপ পারালাইসিসের সাধারণ কয়েকটি লক্ষণ রয়েছে। সেগু'লো হল: ১. বড় করে নিশ্বা'স নিতে অনেক কষ্ট হয়। মনে হবে যেন বুকের মধ্যে কিছু চাপ দিয়ে আছে। দম বেরোচ্ছেনা। ২. অনেকের চোখ খুলতে এমনকি চোখ নাড়াচাড়া করতেও সমস্যা হয়। ৩. অনেকের মনে হয় যে কোন ব্যক্তি বা বস্তু তাদের আশেপাশে আছে, যারা তার বড় ধরণের ক্ষ'তি করতে চায়।
৪. ভীষণ ভয় হয়।

শরীর ঘেমে যায়। ৫. হৃৎস্পন্দন ও শ্বা'স প্রশ্বা'সের গতি বেড়ে যায়। অনেকের র'ক্তচাপও বাড়তে পারে। ৬. পুরো বি'ষয়টা কয়েক সেকেন্ড থেকে এক মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী 'হতে পারে। প্রভাবটি কে'টে গেলে আগের মতো কথা বলা বা নড়াচড়া করায় কোন সমস্যা থাকেনা। তারপরও অনেকে অস্থির বোধ করেন এবং পুনরায় ঘু'মাতে যেতে উদ্বি'গ্ন হয়ে পড়েন। চিকিৎসা কী: স্লিপ প্যারালাইসিস আসলে গু'রুতর কোনও রোগ নয়। মাঝে মাঝে

নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। মনকে চাপমুক্ত রাখার পাশাপাশি ঘু'মানোর অভ্যাসে ও পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনলে অনেক ক্ষেত্রেই এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা সাধারণ কিছু পরামর'্শ দিয়েছেন: ১. রাতে অন্তত ৬ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টা ঘু'মানোর চেষ্টা করা। এবং সেই ঘু'ম যেন গভীর হয়। ২. প্রতিদিন রাতে একই সময়ে ঘু'মাতে যাওয়া এবং সকালে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘু'ম থেকে জেগে ওঠার অভ্যাস করা।

এমনকি ছুটির দিনগু'লোতেও। ৩. ঘু'মের জন্য শোবার ঘরটিতে আরা'ম'দায়ক পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করতে হবে। যেন সেই ঘরে কোলাহল না থাকে, ঘরটি অন্ধকার থাকে এবং তাপমাত্রা সহনীয় মাত্রায় থাকে, খুব বেশি না আবার কমও না। সম্ভব হলে ঘরে ল্যাভেন্ডারের সুগন্ধি ছিটিয়ে দেয়া যেতে পারে। ৪. ঘু'মাতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ভারী খাবার সেইস'ঙ্গে ধূমপান, ম'দ পান এবং ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় যেমন চা-কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. ঘু'মাতে যাওয়ার অন্তত চার ঘণ্টা আগে ব্যায়াম করার চেষ্টা করা। ৬. ঘু'মের সময় হাতের কাছে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ অর্থাৎ ঘু'মের বাঁধা 'হতে পারে এমন কোন বস্তু রাখা যাব'েনা। ৭. দিনের বেলা দীর্ঘসময় ঘু'ম থেকে বিরত থাকতে হবে। ৮. স্লিপ প্যারালাইসিস হলে নিজের মনকে প্রবোধ দিতে হবে যে ভয়ের কিছু নেই, এই পরিস্থিতি সাময়িক, কিছুক্ষণ পর এমনই সব ঠিক হয়ে যাব'ে। এই সময়ে শরীর নাড়াচাড়া করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে হবে।

কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন 'হতে হবে: এসব নিয়ম মেনে চলার পরও যদি কারও বাড়াবাড়ি রকমের স্লিপ প্যারালাইসিস হয় অর্থাৎ আপনার ঘু'মে নিয়মিতভাবে ব্যাঘা'ত ঘটে তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন 'হতে হবে।কেননা স্লিপ প্যারালাইসিস ঘন ঘন হলে উদ্বি'গ্নতার কারণে র'ক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে বা কমে যায়, যা বড় ধরণের স্বাস্থ্য-ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। চিকিৎসক রোগীর সার্বিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় পরামর'্শ দিয়ে থাকেন।

অনেক সময় তারা কম থেকে বেশি মাত্রার অ্যান্টি ডিপ্রেসেন্ট ওষুধ প্রেসক্রা'ইব করেন। চিকিৎসা প'দ্ধতি: নিউরোলজিস্ট বা স্নায়ু বিশেষজ্ঞরা মূলত ব্যাপারে পরামর'্শ দিয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে তারা ইলেক্ট্রোমায়োগ্রাম-ইএমজি পরীক্ষা করে থাকেন। এখানে মূলত মাংসপেশির ইলেকট্রিকাল অ্যাকটিভিটির মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। যেটা কিনা স্লিপ প্যারালাইসিসের সময় অনেক কমে যায়। রাতে ঘু'ম না হওয়ার কারণে স্লিপ প্যারালাইসিসে আ'ক্রা'ন্তদের অনেকেরই দিনের বেলায় ঘু'ম ঘু'ম ভাব হয়।

সেসময় চিকিৎসকরা রোগীর এই দিনের বেলার ঘু'ম পরীক্ষা করে থাকেন। যাকে বলা হয় ডে-টাইম ন্যাপ স্টাডি এবং এর পরীক্ষাটিকে বলা হয় মাল্টিপল স্লিপ ল্যাটেন্সি টেস্ট। স্লিপ প্যারালাইসিসের সময় মস্তিষ্ক জেগে উঠলেও শরীর তখনও শিথিল থাকে। এর কারণ হিসেবে কানাডার দুই গবেষক জানিয়েছেন যে মস্তিষ্কে দুই ধরণের রাসায়নিক বা অ্যামাইনো অ্যাসিডের নি:সরণের কারণে মাংসপেশি অসাড় হয়ে পড়ে।

রাসায়নিক দুটি হল, গ্লাইসিন এবং গামা অ্যামাইনোবিউটিরিক অ্যাসিড-গ্যাব'া। টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিজ্ঞানী প্যাট্রিসিয়া এল ব্রুকস এবং জন এইচ পিভার, পিএইচডি একাধিক পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যে নিউরোট্রান্সমিটার গ্যাব'া এবং গ্লাইসিন মস্তিষ্কে পেশী সক্রিয় রাখার কোষগু'লোকে ‘সুইচ অফ’ করে দেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
Jamunabarta24 © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz