1. bappy.ador@yahoo.com : Admin : Admin admin
  2. hostctg@gmail.com : desk report :
  3. sohagkhan8933@gmail.com : editor editor : editor editor
  4. spapon116@gmail.com : jamunar-barta :
  5. mamunshekh432@gmail.com : reporter :
  6. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
হ’ঠা'ৎ ক'রে আ'প'না'র প্রে'সা'র বে'ড়ে বা ক'মে গে'লে অ'ল্প স'ম'য়ে যা ক'রবে'ন এবং খা'বে'ন
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন

হ’ঠা’ৎ ক’রে আ’প’না’র প্রে’সা’র বে’ড়ে বা ক’মে গে’লে অ’ল্প স’ম’য়ে যা ক’রবে’ন এবং খা’বে’ন

Jamuna Desk Reporter
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট, ২০২১
  • ৩২০ Time View

হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ র;ক্ত;চাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ র;ক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে,

যাতে থাকবে পর্যা'প্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ র;ক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যা'প্ত ক্যালসিয়াম। তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম।বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার,

বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আট'া, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে। ১. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই। ৩. ফল ৪ থেকে ৫ সার্ভিং প্রতিদিন। টুকরো টুকরো করে কা'টা আধা কাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা

অথবা আধা কাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো। ৪. শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধা কাপ রান্না করা শাক। ৫. দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য। ৬. বিচি জাতীয় খাবার প্রতি

স'প্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন… হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন? ব্লাড প্রেসার বা র;ক্তচাপ মানবদে'হে র;ক্ত সঞ্চালনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। মানবদে'হে র;ক্তচাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। তার ওপর ভিত্তি

করেই উচ্চ র;ক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার ও নিম্ন র;ক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করা হয়।উচ্চ র;ক্তচাপের মতোই নিম্ন র;ক্তচাপও কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষ;তি;কর। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন। চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের র;ক্তচাপ থাকে ১২০/৮০। অন্যদিকে র;ক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধ’রা হয়। প্রেসার যদি অতিরি;ক্ত

নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে র;ক্ত প্রবাহিত 'হতে পারে না তখন এ রো;গ দেখা দেয়। আবার অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার 'হতে পারে।লক্ষণ সাধারণত প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বা'স-প্রশ্বা'স নিতেও ক;ষ্ট হয়। অতিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া বা অত্যধিক বমি হওয়া,

দে'হের ভেতরে কোনো কারণে র'ক্তক্ষরণ হলে যেমন: র;ক্তবমি, পায়খানার স'ঙ্গে অতিরিক্ত র;ক্তক্ষ;রণ হলে, শারীরিকভাবে আ;ঘা'তপ্রা'প্ত বা দু;র্ঘটনার ফলে র;ক্তপাত ঘটলে এবং অ'পুষ্টিজনিত কারণেও লো ব্লাড প্রেসার দেখা দিতে পারে। আবার গ'র্ভবতী মায়েদের গ'র্ভের প্রথম ৬ মাস হরমোনের প্রভাবে লো প্রেসার 'হতে পারে। এ সময় মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অনুভূ'ত হওয়া, মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ

উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা, চোখে অন্ধকার দেখা, ঘন ঘন শ্বা'স-প্রশ্বা'স নেওয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা অনুভূ'ত হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদকম্পন, নাড়ি বা পালসের গড়ি বেড়ে যায়।প্রাথমিক চিকিৎসা লো ‘ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন র;ক্তচাপ নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। তবে বি'ষয়টি নিয়ে অতিরি;ক্ত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ এটা উচ্চ র;ক্তচাপের চেয়ে কম ক্ষ;তিকর ও স্বল্পমেয়াদী সমস্যা। আর প্রেসার

লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদ'ক্ষেপ নেওয়া যায়।; এক্ষেত্রে হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে যা করবেন-লবণ-পানি লবণ র;ক্তচাপ বাড়ায়। কারণ এতে সোডিয়াম আছে। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো।সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করাই ভালো। কফি-হট চকলেট হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ

কফি খেতে পারেন। স্ট্রং কফি, হট চকোলেট, কমল পানীয়সহ যে কোনো ক্যাফেইন সমৃ'দ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। আর যারা অনেক দিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে ভারী নাশতার পর এক কাপ কফি খেতে পারেন। বিটের রসবিটের রস হাই ও লো প্রেসার দুটোর জন্য সমান উপকারী। এটি র;ক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এভাবে এক স'প্তাহ খেলে উপকার পাবেন।বাদামলো-প্রেসার হলে পাঁচটি

কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা পেসার বাড়াতে সহায়তা করে।পুদিনাভিটামিন ‘সি, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর স'ঙ্গে স'ঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে পুদিনা পাতা। এর পাতা বেটে নিয়ে এর স'ঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। যষ্টিমধু আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল

চামচ যষ্টিমধু দিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।স্যালাইন শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্ন র;ক্তচাপ হলে শুধু খাবার স্যালাইন মুখে খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। লো ব্লাড প্রাসারে খাবার স্যালাইন সবচেয়ে উপযোগী এবং তাৎক্ষণিক ফলদায়ক। তবে যেসব ওষুধে র;ক্তচাপ কমে বা লো প্রেসার 'হতে পারে, সেসব ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন।

যাদের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন র;ক্তচাপে ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর'্শ নিন।চিকিৎসকরা নিম্ন র;ক্তচাপের কারণ শনাক্ত করে তারপর ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। লো ব্লাড প্রাসারে খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট এবং ‘গ্লুকোজ খেলেও কিন্তু ভালো উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সময় মতো পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং পর্যা'প্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
Jamunabarta24 © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz