1. tipsmaster247@gmail.com : aman :
  2. spapon116@gmail.com : jamunar-barta :
  3. gm.amanullah2021@gmail.com : Md Murad : Md Murad
  4. mamunshekh432@gmail.com : reporter :
  5. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
নো'য়াখা'লীতে প'রকী'য়া'র পর আ'পন ভা'ই-বো'নের বি'য়ে : দু'জনকে'ই ত্যা'জ্য করলেন বা'বা
শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০২:৪৩ অপরাহ্ন

নো’য়াখা’লীতে প’রকী’য়া’র পর আ’পন ভা’ই-বো’নের বি’য়ে : দু’জনকে’ই ত্যা’জ্য করলেন বা’বা

Jamuna Desk Reporter
  • Update Time : শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৯২ Time View

প'রকীয়ায় জড়িয়ে অনৈ'তিক মেলামেশার পরও ক্ষান্ত হননি একই বাবার ঔরসজাত সন্তান দু‘ভাই-বোন। বিয়ে পর্যন্ত করেছেন তারা। ঘটনাটি জয়পুরহাট জে'লার ক্ষেতলাল উপজে'লায় আর যবনিকা ঘটেছে বগু'ড়ার শিবগঞ্জ উপজে'লার কিচক ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে।

জানা গেছে, ক্ষেতলাল উপজে'লার তারাকুল গ্রামে বসবাসকারি আব্দুর র'শিদের ঔরসজাত সন্তান প্রথম স্ত্রীর ছেলে সিজু (৩৫) পেশায় ট্রাক ড্রাইভার এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়ে রাজিয়া সলতানা (২৬), দু‘ভাই-বোনের (অবশ্য সৎ) বিয়ের ঘটনা নিয়ে দেশ জুড়ে চাঞ্চল্য তৈরী হয়েছে।

প'রকীয়ায় জড়িয়ে অনৈ'তিক মেলামেশা ও ভাই-বোনের বিয়ের সর্বশেষ কাহিনী ফাঁ'স হয়ে গেলে তাদের বিচারের দাবি উঠে। যাতে আর কেউ এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটাতে পারেন। আর এ বিয়ে বৈধ নয় বলে জানিয়েছেন দেশের র্শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামা।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, আব্দুর র'শিদ প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে বগু'ড়া জে'লার শিবগঞ্জ উপজে'লার কিচক ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে বসবাস করার সময় ছেলে সিজু জন্ম নেয়। পরে ওই বিয়ে বিচ্ছেদ হলে, আব্দুর র'শিদ জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজে'লার তারাকুল গ্রামের মৃ'ত আব্দুল মজিদের মেয়ে মাহমুদা খাতুনকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন।

সেই সংসারে জন্ম নেয় মেয়ে রাজিয়া সুলতানা। ছেলে সিজু ও মেয়ে রাজিয়াকে আব্দুর র'শিদ উপযুক্ত বয়সে বিয়েও দেন। তাদের ঘরে ছেলে-মেয়েও রয়েছে। এরই মধ্যে সিজু ও রাজিয়া তাদের বাবার বাড়িতে আসা-যাওয়ার মাঝে গো'পনে প'রকীয়ায় সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

রাজিয়ার মামা আব্দুল হান্নান বিয়ের বি'ষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এর আগেও অনৈ'তিক মেলামেশার কারণে গ্রামবাসী তাদের আট'ক করে মা'রপিট দিয়ে ক্ষেতলাল থানায় সোপর্দ করে ছিল। সে সময় তারা দুজনেই এমন কাজে আর জড়াবেন না বলে মুচলেকা দেন। তারপরও এমন জঘন্য কর্মকান্ডে জড়িয়েছে ওরা।

বাবা আব্দুর র'শিদ বলেন, নিজের জন্ম দেয়া সন্তানরা এমন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়বে তা কোনো বাবা-মা সহ্য করতে পারবে না। এমন ঘটনা জানার পর থেকেই আমি আর বাইরে বের 'হতে পারছি না। এমন ঘটনা শোনার আগে আমা'র মৃ'ত্যু কেন হলো না।

আব্দুর র'শিদ আরো জানান, এ ঘটনার পর তিনি ছেলে-মেয়ে দু‘জনকেই আইনগত ত্যাজ্য করেছেন। গত ১৫ অক্টোবর বগু'ড়ার শিবগঞ্জ উপজে'লার ময়দানহাটা কাজী অফিসে পূর্বের স্বামীকে তালাক দিয়ে বিয়ে কাবিন ও কলেমা পড়ানো হয়েছে মর'্মে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

রাজিয়ার আগের স্বামী জয়পুরহাট পৌর শহরের বিশ্বা'সপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও জয়পুরহাট পৌরসভার অফিস সহায়ক মজনু হোসেন জানান, ২০০৬ সালে রাজিয়ার স'ঙ্গে আমা'র পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। আমা'দের নয় (৯) বছরের রিয়াদ হাসান ও সাত (৭) বছরের রাকিবুল হাসান নামে দুইটি ছেলে সন্তান আছে। তারা মা'দরাসায় লেখাপড়া করে। ছয় মাস আগে আমি জানতে পারি আমা'র শ্বশুরের আগের স্ত্রীর মেজ

ছেলে সিজুর স'ঙ্গে রাজিয়ার প্রেমের সম্পর্ক। এরই এক পর্যায়ে সে আমা'র বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়ি চলে গেলে আমা'র আ'ত্মীয়-স্বজনদের মাঝেও বি'ষয়টি জানাজানি হয়। এ নিয়ে ক্ষেতলাল থানায় আমা'র অনুপস্থিতিতে তারা এ প্রেমের সম্পর্ক রাখবে না বলে মুচলেকা দেয়। পরে সে সংসার করবে না বলে জানালে পারিবারিকভাবে চার মাস আগে আমা'দের বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়। কিছুদিন পর রাজিয়া তার ভুল স্বীকার করে আবার নতুন

করে সংসার করতে চাইলে ছেলেদের কথা চিন্তা করে আবার আমা'দের বিয়ে হয়। বিয়ে করার কিছুদিন পর তার ভাইয়ের স'ঙ্গে গত ১৪ অক্টোবর পালিয়ে গেছে।আমি তার খোঁজ করতে করতে বগু'ড়ার শিবগঞ্জ ভাইয়ের পুকুর এলাকায় গিয়ে সেখানকার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে জানতে পারি সিজু তার বাবা আব্দুর র'শিদের নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে হাশেম আলী করে নিকাহ্ বিবাহ করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা বলেন, ‘এ বিয়ে বৈধ নয়। যেকোনো বিবাহ রেজিস্ট্রি হলে সরকার ফি পাবে কিন্তু একই বাবার ছেলে-মেয়ের মধ্যে বিবাহ হলে সেটা বৈধ হবে না।’ শিবগঞ্জ উপজে'লা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আলমগীর কবির বলেন, এমন ঘটনা কখনো শুনিনি। তবে এ বিয়ে সামাজিক স্বীকৃতি পাওয়ার কথা নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
Jamunabarta24 © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz