1. tipsmaster247@gmail.com : aman :
  2. spapon116@gmail.com : jamunar-barta :
  3. gm.amanullah2021@gmail.com : Md Murad : Md Murad
  4. mamunshekh432@gmail.com : reporter :
  5. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
১২০০ বি'দ্যালয়ে আবেদন, তবু শি'ক্ষক হতে পারলেন না তিনি
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৬:০৮ অপরাহ্ন

১২০০ বি’দ্যালয়ে আবেদন, তবু শি’ক্ষক হতে পারলেন না তিনি

Jamuna Desk Reporter
  • Update Time : রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৭৮ Time View

নবম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করেন নরসিংদীর মনোহরদীর শাহনাজ পারভীন।

গত ৩০ মা'র্চ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) তৃতীয় গণবিজ্ঞ'প্তি জারি করলে ১ হাজার ২০০টি উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে আবেদন করেন তিনি। তাঁর বেসরকারি কলেজেও নিবন্ধন থাকায় ১৯টি কলেজে আবেদন করেন। মোট ১ হাজার ২১৯টি বিদ্যালয়-কলেজের আবেদন ফি, কম্পিউটার দোকানের খরচসহ সব মিলিয়ে প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। কিন্তু কোথাও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ

পাননি শাহনাজ পারভীন। শাহনাজ পারভীনের বাবা নেই। তাঁরা পাঁচ ভাইবোন। তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। ৩৬ বছর বয়সী শাহনাজ পারভীন বিয়ে করেননি। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি বাবার বাড়িতে যে অংশ (সম্পত্তি) পাব, তা ভাইদের দিয়ে টাকা নিয়েছি। এখন আমা'র আর কিছু রইল না।’ ৮ অক্টোবর দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রথম আলোর স'ঙ্গে কথা বলেন শাহনাজ পারভীন। যাঁরা আগে

নিবন্ধন পেয়েছেন, তাঁদেরকে আগে নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে ওই দিন ‘প্যানেলপ্রত্যাশী নিবন্ধিত শিক্ষক সংগঠন’ ব্যানারে আয়োজিত মানবন্ধনে অংশ নিতে এসেছিলেন তিনি।  এত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদনের কারণ জানতে চাইলে শাহনাজ পারভীন বলেন, ‘আমা'র সরকারি চাকরির বয়স পেরিয়ে গেছে। পরবর্তী সময়ে এনটিআরসিএতেও আমা'র আবেদনের সুযোগ না-ও থাকতে পারে। এবার আমা'র বি'ষয়ে উচ্চবিদ্যালয়ে ১ হাজার

৫০০টি পদ ছিল। এই নিয়োগের পর হয়তো আর পদ না-ও থাকতে পারে। আমি চেয়েছিলাম, বাংলার যে প্রান্তেই একটা পদ ফাঁ'কা থাকুক, সেটা যেন আমা'র হয়। একটা চাকরির আশায় এত টাকা খরচ করেছিলাম।’ অ'ভিযোগ করে এই চাকরিপ্রত্যাশী বলেন, দুই প্রতিষ্ঠানে সিট এখনো ফাঁ'কা। তারা বলেছে, সিট ফাঁ'কা, কিন্তু কেউ আবেদন করেননি। অথচ সেখানে তিনি আবেদন করেছিলেন। তাঁকে নেওয়া হয়নি।

এ বি'ষয়ে এনটিআরসিএতে অ'ভিযোগ করেছেন জানিয়ে শাহনাজ পারভীন বলেন, ‘তারা এখনো আমাকে কিছু জানায়নি। এ ছাড়া নারী কোটায় সাড়ে ৮ হাজার পদ ফাঁ'কা ছিল, আমি নারী ছিলাম, তা-ও আমাকে নেওয়া হয়নি।’ ৮ অক্টোবর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অর্ধশতাধিক বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পাওয়া এনটিআরসিএর সনদধারী চাকরিপ্রত্যাশী মানববন্ধনে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ছয়জনের স'ঙ্গে

প্রথম আলোর কথা হয়। তাঁরা প্রত্যেকে জানান, শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য অনেকগু'লো প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেছেন। এনটিআরসিএ একটি আবেদনের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হলে তাঁরা আর্থিক ক্ষ'তির মধ্যে পড়তেন না। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে এনটিআরসিএ। আগে নিবন্ধনপ্রা'প্তদের আগে চাকরি, এক আবেদনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগু'লোতে চাকরির সুযোগ তৈরি হওয়াসহ বিভিন্ন

দাবি নিয়ে ৮ অক্টোবর ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পাওয়া এনটিআরসিএর সনদধারী এই ব্যক্তিরাআগে নিবন্ধনপ্রা'প্তদের আগে চাকরি, এক আবেদনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগু'লোতে চাকরির সুযোগ তৈরি হওয়াসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে ৮ অক্টোবর ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পাওয়া এনটিআরসিএর সনদধারী এই ব্যক্তিরা ছবি: প্রথম আলো

এ বি'ষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান মো. এনামুল কাদের খান প্রথম আলোকে বলেন, আগে নিবন্ধন পরীক্ষা 'হতো, পাস করলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়োগ দিয়ে দিত। ২০১৫ সালের পর মেধার ভিত্তিতে সুপারিশ করার সি'দ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তার পর থেকে বাছাইয়ের কাজটি হয় অটোমেশনের মাধ্যমে। আবেদনের কোনো সীমাব'দ্ধতা না থাকায় যাঁরা খুব কম নম্বর পাওয়া, তাঁরা

অনেকগু'লো স্কুলে আবেদন করেন। কম নম্বর পেয়ে বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করে নিয়োগ না-ও 'হতে পারে। তাঁরাও এত বেশি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে বলেন না। ৭০ নম্বর পেয়েও নিয়োগ পাননি শেরপুরের নালিতাবাড়ীর হাসিবা আফরিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘২৯৫টি উচ্চবিদ্যালয়ে আবেদন করতে গিয়ে আমা'র ৩৮ হাজার ৩৫০ টাকা খরচ হয়েছে। আমা'র স্বামী ধার করে এসব টাকা জোগাড় করেছেন।

করো'নার মধ্যে এমনিতেই আয়-রোজগার নেই। তার মধ্যে এত টাকা ধার করেছি। এখন কীভাবে শোধ করব, জানি না।’মা'দারীপুরের ঘটমাঝির মো. তাইজুল ইসলাম ৫২০টি উচ্চবিদ্যালয়ে আবেদন করেন। সব মিলিয়ে এতে তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ৭২ হাজার টাকা। তিনি বলেন, ‘একটি আবেদনের মাধ্যমে নিয়োগ হলে আমা'র এত টাকা খরচ 'হতো না।’ এ বি'ষয়ে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান এনামুল কাদের খান বলেন,

বিসিএসের মতো একটি আবেদনের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া যায় কি না, সে বি'ষয়ে কাজ করছেন তাঁরা। এখানে সমস্যা হলো, অনেকগু'লো মা'মলা আছে, এসব জটিলতার কারণে পারা যায় না। তারপরও চেষ্টা করা হচ্ছে। এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, ২০০৫ সালে এই প্রক্রিয়া শুরুর পর মোট ১৬টি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যে ১৫টি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে ৬ লাখ ৩৪

হাজারের বেশি চাকরিপ্রত্যাশী নিবন্ধিত হয়েছেন। ২০১৫ সাল পর্যন্ত এনটিআরসিএ নিয়োগের সুপারিশ না করায় তখন কত শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছেন, সেই তথ্য তাদের কাছে নেই। ২০১৫ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৮৬ হাজার ২৮৯ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে এনটিআরসিএ। নিবন্ধন পেয়েও চাকরি না হওয়া ব্যক্তিদের দাবি, প্রথমে যাঁরা নিবন্ধন পেয়েছেন, তাঁদের আগে নিয়োগ দিতে হবে।

ইতিমধ্যে নিবন্ধনপ্রা'প্তদের নিয়োগ দেওয়া শেষ না করে নতুন করে নিবন্ধনের জন্য পরীক্ষা নেওয়া যাব'ে না। নিয়োগপ্রা'প্ত শিক্ষকদের নতুন করে পরীক্ষার সুযোগ রাখা যাব'ে না এবং শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা রাখতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
Jamunabarta24 © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz