1. bappy.ador@yahoo.com : Admin : Admin admin
  2. hostctg@gmail.com : desk report :
  3. sohagkhan8933@gmail.com : editor editor : editor editor
  4. spapon116@gmail.com : jamunar-barta :
  5. mamunshekh432@gmail.com : reporter :
  6. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
ঈদের রাতে আল্লাহ বান্দাকে যত পুরস্কার দেন
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন

ঈদের রাতে আল্লাহ বান্দাকে যত পুরস্কার দেন

Jamuna Desk Reporter
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৪১ Time View

ঈদুল ফিতরের রাত পুরস্কারের রাত। পবিত্র মাহে রমজান শেষে যে রাত আগমন করে যাকে সহজে বুঝি আমর'া চাঁদ রাত হিসেবে। এই রাতটি অত্যন্ত বরকতময় একটি রাত।  মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরস্কার প্রা'প্তির রাত। এজন্য হাদিসে এই রাতকে পুরস্কারের রাত হিসেবে ব্যক্ত করা হয়েছে।  ফুকাহায়ে কেরামও দুই ঈদের রাতে জাগ্রত থাকাকে সুন্নত লিখেছেন। তাই এ রাতের বিশেষ কদর করা উচিত। এ রাতের গু'রুত্ব ও ফজিলত অ'পরিসীম। 

প্রথম ফজিলত: খোদার জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায় ঈদুল ফিতরের রাতে ইবাদতের মাধ্যমে। হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত (ইবাদতের মাধ্যমে) জাগ্রত থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাব'ে।  এক. যিলহজ মাসের ৮ তারিখের রাত, দুই. যিলহজ মাসের ৯ তারিখের রাত (আরাফার রাত), তিন. ঈদুল আজহার রাত, চার. ইদুল ফিতরের রাত এবং পাঁচ. ১৫ শাবানের রাত। (আত তারগিব ওয়াত তারহিব লিল মুনজেরি ২/৯৮, হাদিস : ১৬৫৬)। 

দ্বিতীয় ফজিলত: ঈদের রাতে কৃত দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর' (রা.) বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমা'র রাত, রজব মাসের প্রথম রাত, অর্ধ শাবানের রাত এবং দুই ঈদের রাতসহ এ পাঁচ রাতে কোনো দোয়া করে; সে রাতে তার কোনো আবেদনই ফিরিয়ে দেয়া হয় না। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক, হাদিস : ৭৯২৭)

তৃতীয় ফজিলত: ঈদের রাতে ইবাদতকারীর অন্তর কিয়ামতের দিন মর'বে না। হজরত আবু উমামা বাহেলি (রা.) বর্ণনা করেন, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব প্রা'প্তির নিয়তে ইবাদত করবে তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে যেদিন সকল হৃদয়ের মৃ'ত্যু ঘটবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৮২)। 

অন্য বর্ণনায় রয়েছে, হজরত উবাদা ইবনে সামেত (রা.) থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহার রাতকে (ইবাদতের মাধ্যমে) জীবিত রাখবে তার অন্তর ওই দিন মর'বে না যেদিন অন্যদের অন্তর মর'ে যাব'ে। (আল মুজামুল আওসাত ১/৫৭, হাদিস : ১৫৯)। 

ঈদুল ফিতরের রাতে ইবাদতে মশগু'ল থাকা মুস্তাহাব। যেমন হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) এরশাদ করেন, রমজানের ব্যাপারে আমা'র উম্মতকে বিশেষভাবে পাঁচটি জিনিস দেয়া হয়েছে, যা পূর্বর্বী উম্মতগণ পায়নি। তন্মধ্যে একটি হল রমজানের শেষ রাতে রোজাদারদেরকে ক্ষ'মা করে দেয়া হয়।  সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ক্ষ'মা'র এই রাতটি শবে কদর নয় তো? নবীজি (সা.) বললেন, না, বরং শ্রমিকের কাজ শেষ হওয়ার পূর্বেই শ্রমের মজুরি দিয়ে দেয়া হয়। (মুসনাদে আহম'দ)

উল্লেখিত হাদিসগু'লোতে ঈদের রাতের যে সব ফজিলতের কথা বলা হয়েছে এগু'লোর মধ্যে কোনটিতে বিশেষ কোনো ইবাদত করার কথা বলা হয়নি। তাই এই রাতে সাধ্যানুসারে নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আযকার, ইস্তিগফার এবং দোয়া-মুনাজাতে মশগু'ল থাকা কর্তব্য। বরকতময় এই রাতে অযথা কাজে লি'প্ত হওয়া, বাজারে-মা'র্কে'টে ঘুরাঘুরি করার পরিবর্তে এশা এবং ফজরের নামাজ সময়মত জামাতের স'ঙ্গে আ'দায় করা।

স'ঙ্গে অন্যান্য আমলগু'লো করা। অন্যান্য আমলগু'লো করা সম্ভব না হলেও অন্তত এশা এবং ফজরের নামাজের জামাত ঠিক রাখা।  আল্লাহ আমা'দেরকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের রাতসহ প্রতিটা মুহূর্তকে দ্বীনের কাজে লাগানোর তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক: মুহাদ্দিস, জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলূম বাগে জান্নাত, ৪৩ নবাব সলিমুল্লাহ রোড, চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ 

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
Jamunabarta24 © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz